মনে পড়ে আমার অনুগ্রহের কথা? —বাকারাহ ৪০

আল্লাহ تعالى এর আগের আয়াতে একদল অকৃতজ্ঞ মানুষের কথা বলছিলেন, আর এই আয়াতেই শুরু হলো– ‘ইয়া বনী ইসরাইল! …’:

2_40

ইসরাইলের বংশধরেরা, আমি তোমাদেরকে যে অনুগ্রহ করেছিলাম, সেগুলো মনে করো, আর আমার প্রতি যে অঙ্গীকার করেছিলে, সেগুলো পূরণ করো। তাহলে আমি তোমাদের প্রতি আমার অঙ্গীকার পূরণ করব। আর আমাকে–শুধুই আমাকে ভয় করো। [বাকারাহ ৪০]

pyramid

কু’রআন পড়ার সময় আমরা যখন বনী ইসরাইল বা ইসরাইলের বংশধরদের কথা পড়ি, তখন ভাবি, “আরে, ওই ইহুদিরা কি খারাপটাই না ছিল। আল্লাহ কতবার ওদেরকে বাঁচিয়েছিলেন, তারপরেও ওরা কত খারাপ কাজ করতো। মুসা عليه السلام নবীকে কী কষ্টটাই না দিয়েছিল। ওদের থেকে আমরা কত ভালো জাতি।”

আসলেই কি তাই?

তারা তাদের নবীর عليه السلام অপমান করেছিল, অনেক মুসলিমরাও তাদের নবী মুহাম্মাদের عليه السلام অপমান করেছে: তাঁর নামে কয়েক লক্ষ জাল হাদিস প্রচার করে স্বল্প শিক্ষিত  মুসলিমদেরকে চরম ভুল পথে নিয়ে গেছে, বিদ’আত দিয়ে মুসলিম জাতির একটা বড় অংশকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়েছে। বনী ইসরাইলেরা অহংকারী ছিল, তারা মনে করত: তারা হচ্ছে এক বিশেষ জাতি, যাদেরকে আল্লাহ تعالى বিশেষ সন্মান দিয়েছেন এবং তাদের মতো সন্মানিত জাতিকে আল্লাহ تعالى বিশেষ ভাবে রক্ষা করবেন।[২] এই গৌরব নিয়ে নাক উঁচু করে চলে শেষ পর্যন্ত তারা চরম অপমানিত হয়েছিল। তাদের উপরে আল্লাহর تعالى বিশেষ অনুগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল। এক হিটলারই ৫৯ লক্ষ ইহুদিকে মেরে ফেলেছিল। অনেক মুসলিম একই কাজ করেছে: তারা মনে করেছে তারা হচ্ছে সবচেয়ে সন্মানিত উম্মাহ, তারা যেভাবেই জীবনযাপন করুক না কেন, আল্লাহর تعالى বিশেষ অনুগ্রহ তারা পাবেই। যার ফলাফল: আজকে তারা এক চরম অপমানিত জাতি, সবসময় ভয়ে থাকে কবে তাদেরকে অন্য ‘কাফির’ দেশগুলো আক্রমণ করে শেষ করে দিবে। বনী ইসরাইলরা তাদের ধর্ম গ্রন্থের বিকৃত অনুবাদ করত, নিজেদের সুবিধামতো কিছু নির্দেশ মানত, অসুবিধাজনক নির্দেশগুলো কৌশলে পরিবর্তন করে দিত—অনেক মুসলিম কু’রআনকে নিয়ে একই কাজ করেছে গত হাজার বছরে। এবং এখন সেটা আরও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। ইহুদিরা তাদের রাবাইদেরকে (আমাদের যেমন মাওলানা, শায়খ) অতিমানব পর্যায়ের মনে করে তাদের অন্ধ অনুসরণ করত। নিজেরা ধর্মীয় বই না পড়ে তাদের রাবাইরা যা বলত, সেটাকেই তারা ধর্মের অংশ মনে করত। আজকে অনেক মুসলিম নিজেরা কু’রআন না পড়ে মাওলানা-শায়খ-পীররা যা বলে, সেটাই অন্ধভাবে অনুসরণ করছে। তাদেরকে ঐশ্বরিক-মানব পর্যায়ের সন্মান দিয়ে মাজারে তাদের পূজা করছে।

কু’রআনে যেখানেই দেখবেন ইসরাইলের বংশধরদেরকে কিছু বলা হচ্ছে, মনে রাখবেন, এই কথাগুলো আসলে মুসলিমদেরকেই শেখানোর জন্য বলা হচ্ছে। কু’রআন শুধুই একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ নয় যে, এর মাধ্যমে আল্লাহ تعالى আমাদেরকে শুধু ইতিহাস শেখাবেন, বরং কু’রআনের প্রতিটি আয়াত হচ্ছে মুসলিমদের জন্য পথ নির্দেশ। আল্লাহ تعالى ওদের মাধ্যমে আমাদেরকে–মুসলিমদেরকে দেখিয়ে দিচ্ছেন কী কী ভুল করা যাবে না; করলে কী ধরনের অপমান-দুঃখ-কষ্ট দুনিয়াতে ভোগ করতে হবে। মুসলিমদের ইতিহাস দেখলে দেখবেন বনী ইসরাইলদের সাথে আমাদের খুব একটা পার্থক্য নেই। তারা যে ভুলগুলো করেছিল, মুসলিমরাও সেগুলো করেছে এবং এখনও করে যাচ্ছে।[৩] যখনি বনী ইসরাইলদেরকে নিয়ে কোনো আয়াত পড়বেন, নিজেকে জিজ্ঞেস করবেন, “আমরাও একই ভুল করছি না তো?”

‘ইসরাইল’ একটি হিব্রু শব্দ, যার অর্থ–আল্লাহর বান্দা। নবী ইয়াকুব عليه السلام এর আরেকটি নাম হলো ইসরাইল। কু’রআনে ইহুদিদেরকে ‘ইয়াকুবের বংশধর’ না বলে ‘ইসরাইলের বংশধর’ বলা হয়েছে, যেন ইহুদিরা এটা ভুলে না যায় যে, তারা ‘আল্লাহর বান্দার’ বংশধর। তাদেরকে মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে: তারা যেন তাদের রাবাইদের উপাসনা না করে, শুধুমাত্র আল্লাহরই উপাসনা করে।[৪]

আরেকটি ব্যাপার হলো: বনী ইসরাইল বলতে আজকের  ‘ইসরাইল’ নামক দেশে যারা থাকে, তাদেরকে বোঝায় না। বর্তমান ইসরাইল মূলত একটি সেক্যুলার দেশ। সেই দেশে সেক্যুলার-নাস্তিক বাসিন্দাদের সাথে তাদের ধর্মপ্রাণ ইহুদি বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক পরিমাণে সংঘর্ষ চলছে, যেমন  কিনা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতেও  চলছে।[২৬৮] মুসলিম দেশগুলোতে যেমন শিয়া-সুন্নিদের মধ্যে সবসময় মারামারি লেগেই আছে, অনুরূপ একই ঘটনা ঘটছে ইহুদিদের দুটি চরমপন্থি সম্প্রদায়ের মধ্যে।[২৬৯]

ইসরাইলের সংবাদ মাধ্যমগুলো কিছুদিন দেখলে এবং বিবিসির ডকুমেন্টারি দেখলে বুঝতে পারবেন, ইসরাইলে আজকে কী ভয়াবহ অবস্থা চলছে। অনেক মুসলিম দেশের মতো ইসরাইলেও অল্প কিছু এলাকা ছাড়া বাকি সব জেলাগুলো একেকটা যুদ্ধ ক্ষেত্রের মতো এবং পুরো দেশটি একটি গৃহ যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।[২৬৭] যারা বলে: মুসলিম জাতি হচ্ছে একটা খারাপ জাতি, অন্যদের সাথে ঝামেলা তো করেই, নিজেদের ভেতরেও মারামারি করে নিজেদেরকে শেষ করে দিচ্ছে— তাদেরকে ইসরাইলের খবরের কাগজগুলো কয়েকদিন পড়তে বলেন।

আল্লাহ تعالى এই আয়াতে ইহুদিদেরকে বলেছেন যে, আল্লাহ تعالى তাদের উপর যে বিশেষ অনুগ্রহ করেছিলেন, সেগুলো বার বার মনে করে আল্লাহর প্রতি তাদের যে অঙ্গীকার রয়েছে, সেগুলো পূরণ করতে। তাহলে আল্লাহ تعالى তাদেরকে যা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা তিনি দিয়ে দিবেন।

এখন প্রশ্ন হলো: আল্লাহ تعالى তাদেরকে এবং আমাদেরকে কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন? বাকারাহ এর আগের আয়াতগুলোতে আল্লাহ تعالى বলেছেন যে, আমরা যদি কু’রআনকে ঠিকমত মানি, নিজেদের জীবনকে কু’রআনের শিক্ষা অনুসারে পরিচালিত করি, কু’রআনের উপদেশ এবং বিধিনিষেধ অনুসারে পরিবার, সমাজ, দেশ পরিচালনা করি, তাহলে আমাদের দুনিয়া সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরে যাবে—আল্লাহ تعالى আমাদের ভয় দূর করে দিবেন, আমাদের দুঃখ থাকবে না, আমাদের উপরে তার অনুগ্রহের প্রাচুর্য বর্ষণ করবেন।[১] কিন্তু আমরা তা করিনি। আজকে একটা দেশও নেই যেখানে সমাজ এবং দেশ পরিচালিত হচ্ছে ১০০% ভাগ কু’রআনের বিধিনিষেধ অনুসারে। তার ফলাফল: তাকিয়ে দেখুন চারিদিকে, আমরা কি আজকে সবচেয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত জাতি নই? আমরা কি দুঃখে জর্জরিত একটি জাতি নই?

আল্লাহ تعالى আমাদের প্রতি দুটি বিরাট অনুগ্রহ করেছেন: আমরা শেষ নবীকে পেয়েছি এবং শেষ কিতাব পেয়েছি, যার মাধ্যমে  আল্লাহ تعالى তাঁর  দ্বীনকে  সম্পূর্ণ করে দিয়েছেন, কেয়ামত পর্যন্ত। ইহুদিদের যে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল: তাদের শত বছরের শিক্ষাকে ছেড়ে দিয়ে একজন নতুন নবীকে عليه السلام মেনে নিতে হয়েছিল—এরকম কঠিন পরিস্থিতিতে আমাদেরকে আর পড়তে হবে না। আমাদের কখনও এরকম পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না যে, একদিন একজন চল্লিশের কোঠায়, স্বনামধন্য, সফল ব্যবসায়ী ভদ্রলোক এসে বলবেন, “আমি হচ্ছি বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কাছ থেকে প্রেরিত শেষ নবী। গতরাতে আমার কাছে একজন ফেরেশতা এসে আল্লাহর تعالى বাণী দিয়ে গেছে। আমি যা বলছি, তা আসলে আমার কথা না, মহান সৃষ্টিকর্তার নিজের কথা। তোমরা যা অনুসরণ করছ, তা আর তোমরা অনুসরণ করবে না। বরং এখন থেকে আমি তোমাদেরকে যা বলবো, সেটাই অনুসরণ করবে। যদি না করো, তাহলে চিরজীবন জাহান্নামের আগুনে পুড়বে।” চিন্তা করে দেখুন, আমরা যদি ইহুদিদের মতো এই কঠিন পরীক্ষায় পড়তাম, তাহলে কী কঠিন একটা সিদ্ধান্ত আমাদেরকে নিতে হতো। কিন্তু না, আল্লাহ تعالى আমাদেরকে অনুগ্রহ করেছেন, তিনি আমাদেরকে এমন সময়ে জন্ম দিয়েছেন, যখন আমরা কু’রআন পাবার মতো সৌভাগ্য পেয়েছি। আমাদের কাছ থেকে আল্লাহর এটাই প্রত্যাশা: আমরা কু’রআনকে ভালোভাবে পড়ে, বুঝে, সেই অনুসারে জীবন চালাব। তা করলে দুনিয়াতে আমাদের ভয়, দুঃখ আল্লাহ تعالى অনেক কমিয়ে দিবেন, আমাদের উপরে তাঁর অনুগ্রহ বর্ষণ করবেন, পরকালে আমাদের চির সুখের জীবন দান করবেন।[১]

এই আয়াত এবং আগের আয়াতগুলোতে একটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো: আল্লাহ تعالى প্রথমে আমাদেরকে তাঁর অনুগ্রহের কথা বার বার মনে করতে বলেছেন, সে জন্য কৃতজ্ঞ হতে বলেছেন এবং সবশেষে তাঁকে ভয় পেতে বলেছেন। এই ক্রমটি গুরুত্বপূর্ণ। কু’রআনে আল্লাহ تعالى আমাদেরকে তাঁর অনুগ্রহের কথা সবসময় প্রথমে মনে করিয়ে দেন, তারপরে তাঁকে ভয় পাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু অনেক মুসলিম দাঈ যখন ইসলামের দাওয়াত দেয়, তখন প্রথমে বিকট সব ভয় দেখায়, সবশেষে একটুআধটু আল্লাহর تعالى অনুগ্রহের কথা বলে। অনেক মসজিদের জুম্মার খুতবায় এবং ওয়াজ-মাহফিলে দেখা যায়, সেখানে ইমাম-খতিবরা চোখ লাল করে, গলা ফাটিয়ে বলছেন, “যদি অমুক আমল না করেন, তাইলে আল্লাহর تعالى গজব পড়িবে। যদি শীঘ্রই দেশে তমুক প্রতিষ্ঠিত না হয়, আল্লাহ تعالى আমাদেরকে ধ্বংস করিয়া দিবেন। দেশে শীঘ্রই বন্যা, দুর্ভিক্ষ, মহামারী হইবে—সব ছারখার হইয়া যাইবে। আজকে থেকে যদি তাওবাহ না করেন, আপনাকে জাহান্নামের আগুনে চামড়া পুড়াইয়া ঝলসাইয়া দেওয়া হইবে। তারপর সেই ঝলসানো চামড়া আবার পালটাইয়া নতুন চামড়া দেওয়া হইবে। আপনার পায়ের নিচে গরম কয়লা দেওয়া হইবে, যার তাপে আপনার মগজ ফুটিতে থাকিবে। জোরে বলেন—সুবহান আল্লাহ!”

সুরা ফাতিহা পড়ে দেখুন। প্রথম আয়াতটিই হচ্ছে – “সমস্ত প্রশংসা-ধন্যবাদ আল্লাহ্‌র, যিনি পরম দয়ালু, নিরন্তর দয়ালু।” সেখানে কিন্তু বলা নেই, “সমস্ত ভয়ভীতি আল্লাহ্‌র প্রতি, যিনি কঠিন, বদরাগী।” সুরা ইখলাস পড়ে দেখুন – কোনো ভয়ের চিহ্ন নেই। সুরা ফালাক, নাস এরকম যত কমন সুরা আমরা সবাই ছোটবেলা থেকে শিখে এসেছি, কোথাও আপনি পাবেন না যে, আল্লাহ্‌ تعالى একজন কঠিন, রাগী সত্ত্বা। বরং মানুষের প্রতি তাঁর অপরিসীম ধৈর্য, চরম সহনশীলতা, তাঁর বার বার ক্ষমা করার আশ্বাস, ন্যায় বিচারের প্রতিশ্রুতি—এই দিয়ে কু’রআন ভরে আছে। আমরা কোনো কারণে সেই পজিটিভ বাণীগুলোর উপর মনোযোগ না দিয়ে, খালি ‘নেগেটিভ’ বাণীগুলোর উপর মনোযোগ দেই। কু’রআনে কতগুলো জাহান্নামের আয়াত আছে, কত জায়গায় আল্লাহ تعالى শাস্তির কথা বলেছেন—শুধু সেগুলোকে নিয়ে ডিপ্রেশনে ভুগি, তর্ক করি। যার ফলে আমাদের অনেকেরই আল্লাহর تعالى সাথে সম্পর্ক হয়ে যায় খুব ফর্মাল একটা সম্পর্ক। আমরা তাঁকে মনে প্রাণে ভালবাসতে পারি না। তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা থাকে একধরণের তিক্ততা মিশ্রিত। তাঁর ইবাদত করি অনেকটা ঠেকায় পড়ে।

অথচ উল্টোটা হওয়ার কথা। আপনার চারপাশে তাকিয়ে দেখুন। আল্লাহ্‌ تعالى কোন জিনিসটা আপনাকে ভয় দেখানোর জন্য দিয়েছেন? আপনি কি সকালে ঘুম থেকে উঠে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভয়ে লাফ দিয়ে উঠেন? আপনি কি শ্বাস নেওয়ার সময় আপনার ভিতরে কী ঢুকে গেল—এই নিয়ে ভয়ে থাকেন? খাবার খাওয়ার সময় ভয়ে ভয়ে খাবার মুখে দেন? একটা কলার খোসা ছিলে আতংকে চিৎকার দিয়ে ওঠেন? চারপাশে সবুজ গাছপালা, হাজারো রঙের ফুল, আকাশে শত শত পাখি, মাঠে সবুজ ঘাস, পাহাড়, নদী, সমুদ্র, সূর্য, চাঁদ, তারা – কোনটা দিয়ে আল্লাহ্‌ تعالى আপনাকে প্রতি মুহূর্তে ভয় দেখাচ্ছেন? কোনটা দেখে আপনার মনে হয় আল্লাহ্‌ تعالى একজন অবিবেচক, ভয়ংকর রাগী কেউ?

landscapes-nature-land-tree-cloud-sky (1)

বাকারাহ-এর এই আয়াত থেকে আল্লাহ تعالى  আমাদেরকে বনি ইসরাইলের উদাহরণের মাধ্যমে মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত দরকারি কিছু উপদেশ, বিধিনিষেধ দিবেন। এর পরের আয়াতে এমন কিছু ব্যাপার আসবে, যেই ভুলগুলো আমরা প্রতিনিয়ত ‘বাঙালি সংস্কৃতি’-র নামে করে যাচ্ছি। ‘লোকে কী বলবে’—এই ভয়ে আমরা সরাসরি আল্লাহর تعالى নির্দেশকে অমান্য করে যাচ্ছি, যা আল্লাহ تعالى আমাদেরকে কু’রআনের শুরুতে সূরা বাকারাহতেই সাবধান করে দিয়েছেন।

নতুন আর্টিকেল বের হলে জানতে চাইলে কু’রআনের কথা ফেইসবুক পেইজে লাইক করে রাখুন—


ডাউনলোড করুন কুর‘আনের কথা অ্যাপ

2 thoughts on “মনে পড়ে আমার অনুগ্রহের কথা? —বাকারাহ ৪০”

  1. আল্লাহ ﷻ আমাদেরকে অনুগ্রহ করেছেন, তিনি আমাদেরকে এমন সময়ে জন্ম দিয়েছেন, যখন আমরা কু’রআন পাবার মতো সৌভাগ্য পেয়েছি। আমাদের কাছ থেকে আল্লাহর এটাই প্রত্যাশা: আমরা কু’রআনকে ভালোভাবে পড়ে, বুঝে, সেই অনুসারে জীবন চালাব। তা করলে দুনিয়াতে আমাদের ভয়, দুঃখ আল্লাহ ﷻ অনেক কমিয়ে দিবেন, আমাদের উপরে তাঁর অনুগ্রহ বর্ষণ করবেন, পরকালে আমাদের চির সুখের জীবন দান করবেন।[১]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *